সিয়াম-রমযান-লাইলাতুল ক্বদর-ইতিক্বাফ প্রসংগ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
সিয়াম-রমযান-লাইলাতুল ক্বদর-ইতিক্বাফ প্রসংগ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

শনিবার, ১০ মার্চ, ২০১২

ক্বাযা ছিয়াম আগে না নফল ছিয়াম আগে আদায় করতে হবে?

প্রশ্ন  : ক্বাযা ছিয়াম আগে আদায় করতে হবে না নফল ছিয়াম আগে আদায় করতে হবে?

উত্তর : নফল ছিয়াম আগে আদায় করবে। কারণ ক্বাযা ছিয়াম আদায় করার অনেক সময় থাকে। কিন্তু নফল ছিয়াম নির্দিষ্ট সময়ে করতে হয়। যেমন শাওয়ালের ৬টি নফল ছিয়াম শাওয়ালের মধ্যেই আদায় করতে হয়। কিন্তু রামাযানের ক্বাযা ছিয়াম আগামী রামাযানের আগ পর্যন্ত আদায় করার সময় থাকে।

সোমবার, ২৩ জানুয়ারি, ২০১২

২/৩ মিনিট পরে ইফতার


প্রশ্ন  : জনৈক বিশিষ্ট আলেম বলেন যে, সরকারী আবহাওয়া দফতরের সময়সূচীতে সূর্যাস্তের যে সময় দেওয়া হয়, বিগ ব্যাং থিওরী ও গ্যালাক্সির আবর্তন রীতি মোতাবেক সূর্য আরো ২/৩ মিনিট পরে অস্ত যায়। সুতরাং উক্ত সময়সূচীর ২/৩ মিনিট পরে ইফতার করার হানাফী আলেমদের সিদ্ধান্তই সঠিক। উক্ত দাবীর সত্যতা সম্পর্কে জানতে চাই।

উত্তর : সরকারী আবহাওয়া অধিদপ্তরের সময়সূচীতে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের যে সময় নির্ধারণ করা হয়, তা বৈজ্ঞানিকভাবে পর্যবেক্ষণ করেই প্রদান করা হয়। তাই উক্ত সময়সূচীই ধর্তব্য এবং সে মোতাবেকই সূর্য ডোবার সাথে সাথে ইফতার করতে হবে। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন,
দ্বীন ততদিন বিজয়ী থাকবে যতদিন লোকেরা তাড়াতাড়ি ইফতার করবে। কেননা ইহুদী ও নাছারাগণ দেরীতে ইফতার করে (আবুদাঊদ, ইবনু মাজাহ, সনদ ছহীহ, মিশকাত হা/১৯৯৫)। সরকার এদেশের কোটি কোটি ছিয়াম পালনকারীর দায়িত্বশীল। এতে অবহেলা করলে সরকারকে আল্লাহর আদালতে কৈফিয়ত দিতে হবে। তবে কোনভাবে এ পর্যবেক্ষণ ভুল প্রমাণিত হলে তা সংশোধনের জন্য সংশ্লিষ্ট অধিদপ্তরে অভিযোগ করা যেতে পারে। কিন্তু সঠিক বিষয়টি যাচাই না করে অসত্য তথ্য দিয়ে এবং সূর্যাস্তের সাথে অপ্রাসঙ্গিক বৈজ্ঞানিক থিওরী আউড়িয়ে আপন মাযহাবের পক্ষে সাফাই গাওয়া নিতান্তই নিবুর্দ্ধিতার পরিচায়ক। মানুষকে বিভ্রান্ত করার জন্য উক্ত আলেম অবশ্যই দায়ী হবেন।

সোমবার, ১৯ ডিসেম্বর, ২০১১

দ্রাঘিমা রেখা ও অক্ষাংশ রেখার দূরত্বের কারণে এক সঙ্গে দিবা-রাত্রি

প্রশ্ন  :  দ্রাঘিমা রেখা ও অক্ষাংশ রেখার দূরত্বের কারণে এক সঙ্গে দিবা-রাত্রি হয় না। বাংলাদেশের বিপরীত স্থান চিলি। বাংলাদেশে সন্ধ্যা হলে চিলিতে সকাল হয়। তাহলে লায়লাতুল ক্বদর, প্রতি রাত্রে আল্লাহর নিম্ন আকাশে অবতরণ, আরবী তারিখের পরিবর্তন ইত্যাদির ব্যাখ্যা কিভাবে দেওয়া যাবে?
 
উত্তর : যখন যেখানে রাত হয় তখন সেখানে তিনি প্রথম আসমানে নেমে আসেন। কিভাবে তিনি আসেন সেটা আল্লাহই ভাল জানেন। আল্লাহর পক্ষে সবই সম্ভব। লায়লাতুল ক্বদরকে নির্ধারণ করেন আল্লাহ, সময়ের পার্থক্যও করেন তিনিই। কিছু এলাকা আছে যেখানে ছয় মাস সূর্য ডুবে না, আবার ছয় মাস সূর্য উঠে না। এ এলাকাগুলোতে ছালাত-ছিয়াম কিভাবে আদায় করতে হবে, তা রাসূল (ছাঃ) বলে গেছেন। দাজ্জাল সম্পর্কে বর্ণিত হাদীছে তিনি বলেছেন,
ولكن أقدروا له অর্থাৎ তোমরা তখন দিন ও রাতের সময় পরিমাপ করে ছালাত আদায় করবে (তিরমিযী হা/২২৪০)
আরবী তারিখের বিভিন্নতার কারণ চাঁদ দেখা আর না দেখার সাথে সম্পৃক্ত। সিরিয়ার চাঁদ দেখা মদীনার জন্য যথেষ্ট মনে করেননি ইবনু আববাস (রাঃ)। সুতরাং চাঁদের উদয়স্থল (
مطلع) অনুযায়ী আরবী মাসের গণনা স্ব স্ব দেশ অনুযায়ী হবে (মুসলিম হা/২৫৮০) 

মঙ্গলবার, ২৯ নভেম্বর, ২০১১

ছিয়াম পালনকারী মহিলার সূর্য ডোবার পূর্ব মুহূর্তে যদি ঋতু আসে,


প্রশ্ন  : ছিয়াম পালনকারী মহিলার সূর্য ডোবার পূর্ব মুহূর্তে যদি ঋতু আসে, তাহলে তার ছিয়াম নষ্ট হবে কি? নষ্ট হলে ঐ ছিয়ামের ক্বাযা করতে হবে কি?

উত্তর : উক্ত সময়ে ঋতু শুরু হ
লে ছিয়াম বাতিল হবে এবং পরবর্তীতে তাকে ঐ ছিয়াম পালন করতে হবে। আয়েশা (রাঃ) বলেন, ঋতু অবস্থায় আমাদেরকে ছিয়াম ক্বাযা করার এবং ছালাত ছেড়ে দেয়ার  আদেশ দেওয়া হ(মুসলিম, মিশকাত হা/২০৩২, ক্বাযা ছিয়াম অনুচ্ছেদ)। তবে ছুটে যাওয়া ছিয়ামের সে পূর্ণ নেকী পাবে। কারণ সে নেকীর আশায় ছিয়াম শুরু করেছিল (মুত্তাফাক্ব আলাইহ, মিশকাত হা/২৩৭৪ দোআ সমূহ অধ্যায় ৫ অনুচ্ছেদ)

সোমবার, ৭ নভেম্বর, ২০১১

কাউকে ছিয়াম পালনের পরিবর্তে ফিদইয়া দেওয়া হ’লে

প্রশ্ন  : কাউকে ছিয়াম পালনের পরিবর্তে ফিদইয়া দেওয়া হলে ২০টি ছিয়াম পালনের পরে যদি সে ইন্তেকাল করে, তবে বাকী ১০টি ছিয়ামের জন্য কি পুনরায় ফিদইয়া দিতে হবে?
 
উত্তর : জীবিত ব্যক্তির ওপর শরী
আতের বিধি-বিধান প্রযোজ্য, মৃত ব্যক্তির ওপর নয়। অতএব তার পক্ষ থেকে কোন ছিয়ামও পালন করা লাগবে না এবং ফিদইয়াও প্রদান করতে হবে না। তবে তার অছিয়ত বা মানত থাকলে তার বদলে ছিয়াম অথবা ফিদইয়া দেওয়া যাবে (আলবানী, তালখীছ আহকামিল জানায়েয, পৃঃ ৭৫; ছালাতুর রাসূল (ছাঃ), পৃঃ ২০৫)

শনিবার, ২৭ আগস্ট, ২০১১

রামাযান মাসে ক্বদরের রাত্রে পশু-পাখি,


প্রশ্ন  : রামাযান মাসে ক্বদরের রাত্রে পশু-পাখি, গাছপালা, কীট-পতঙ্গ ইত্যাদি সবই আল্লাহকে সিজদা করে। একথা কি সঠিক?
 
উত্তর : কেবল ক্বদরের রাত্রে এগুলো আল্লাহকে সিজদা করে একথা সঠিক নয়। বরং আসমান-যমীনে যা কিছু আছে সবই আল্লাহকে সিজদা করে
(নাহল ৪৯)