চিকিৎসা বিজ্ঞান লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
চিকিৎসা বিজ্ঞান লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

মঙ্গলবার, ৭ ফেব্রুয়ারি, ২০১২

কাউকে সাপে দংশন করলে সূরা ফাতিহা সাতবার পড়ে

প্রশ্ন  : জনৈক আলেম বলেন, কাউকে সাপে দংশন করলে সূরা ফাতিহা সাতবার পড়ে তার উপর দম করবে। অতঃপর অর্থহীন মন্ত্র পড়তে হবে। যেমন- সিজ্জাতুন তারানি য়্যাতুন মিলহাতু বাহরিন কাফাত্বা। প্রশ্ন হল, উক্ত পদ্ধতিতে ঝাড়ফুঁক করা যাবে কি?

উত্তর : সাপে দংশন করলে সূরা ফাতেহা পড়ে ঝাড়ফুঁক করা যায় (বুখারী হা/৫০০৭)। কিন্তু কুরআন-সুন্নাহর দো
আ ছাড়া মন্ত্র পড়ে ঝাড়ফুঁক করলে শিরক হবে (আবুদাঊদ হা/৩৮৮৩; মিশকাত হা/৪৫৫২)। এইরূপ ঝাড়-ফুঁক করা যাবে না।

শুক্রবার, ২৩ ডিসেম্বর, ২০১১

কোন অমুসলিমকে আল্লাহর কালাম দিয়ে ঝাড়-ফুঁক করা যাবে কি?

প্রশ্ন  : কোন অমুসলিমকে আল্লাহর কালাম দিয়ে ঝাড়-ফুঁক করা যাবে কি?

উত্তর : আল্লাহর কালাম দ্বারা অমুসলিমকে ঝাড়-ফুঁক করা যাবে (বুখারী
 হা/৫৭৩৬)

শনিবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০১১

কালোজিরার গুণ ও উপকারিতা


প্রশ্ন  : কালোজিরার গুণ ও উপকারিতা সম্পর্কে জানিয়ে বাধিত করবেন।

উত্তরঃ কালোজিরাতে মৃত্যু ছাড়া সকল রোগের ঔষধ রয়েছে (মুত্তাফাক্ব আলাইহ, মিশকাত হা/৪৫২০)

রবিবার, ২৪ এপ্রিল, ২০১১

আমি ইসলামের বিধান মেনে চলার চেষ্টা করি।


প্রশ্ন : আমি ইসলামের বিধান মেনে চলার চেষ্টা করি। পর্দার খেলাফ হবে এই আশংকায় আমি গর্ভাবস্থায় দোআ করতাম যে, আমার প্রসব যেন অস্ত্রোপচারহীন হয়। কিন্তু বাধ্য হয়ে অপারেশন করতে হয়েছে এবং পরবর্তীতেও বাচ্চা নিলে অপারেশন করতে হবে বলে ডাক্তার জানিয়েছেন। এজন্য আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি যে, আমি আর বাচ্চা নেব না। এরূপ সিদ্ধান্ত কি সঠিক হয়েছে?

উত্তর: আল্লাহ্ কারো দো
আ প্রত্যাখ্যান করেন না। বাহ্যিকভাবে কবুল না হলেও হয়ত সে দোআর মাধ্যমে আল্লাহ্ দোআকারীকে অন্য বিপদ থেকে রক্ষা করেন (ছহীহ তিরমিযী হা/৩৩৮১; মিশকাত হা/২২৩৬, সনদ হাসান)। তাই বাচ্চা না নেয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা সঠিক নয়। এমনও হতে পারে যে, পরবর্তীতে অপারেশন নাও করতে হতে পারে। তাছাড়া অনেক সময় স্বাভাবিকভাবে সন্তান হতে যে কষ্ট হয় অপারেশন করালে তার চেয়ে কম কষ্ট হয়। হতে পারে আপনার ক্ষেত্রেও এরূপ ঘটেছে। আল্লাহ্ আপনাকে বেশী কষ্ট থেকে রক্ষা করেছেন। অতএব উক্ত সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করতে হবে এবং কোন মহিলা সার্জনকে দিয়ে অপারেশন করানোর চেষ্টা করতে হবে।

বুধবার, ২৩ মার্চ, ২০১১

বর্তমানে জন্ম নিয়ন্ত্রণের যে পদ্ধতি চালু আছে তা কি শরী‘আত সম্মত?


প্রশ্ন : বর্তমানে জন্ম নিয়ন্ত্রণের যে পদ্ধতি চালু আছে তা কি শরীআত সম্মত?

উত্তর: সংসারকে সচ্ছল করার নিয়তে জন্মনিয়ন্ত্রণ নিষিদ্ধ। কেননা রূযীর মালিক আল্লাহ। আল্লাহ বলেন,
দারিদ্রে্যর ভয়ে তোমরা তোমাদের সন্তানকে হত্যা কর না। তাদেরকে এবং তোমাদেরকে আমিই খাদ্য প্রদান করে থাকি (ইসরা ৩১)। রাসূলুল্লাহ (ছা:) বলেন, তোমরা প্রেমময়ী ও অধিক সন্তান দায়িনী নারীকে বিবাহ কর। কারণ আমার উম্মতের সংখ্যা বেশী হওয়া আমার গৌরবের কারণ (আবুদাঊদ, নাসাঈ, মিশকাত হা/৩০৯১)। তবে স্ত্রী ও সন্তানের স্বাস্থ্যের দিকে লক্ষ্য রেখে স্ত্রীর অনুমতিক্রমে আযল বা জন্ম নিয়ন্ত্রণ করা যায় (বুখারী, মুসলিম, মিশকাত হা/৩১৮৪)। কিন্তু স্থায়ীভাবে জন্মনিরোধ অর্থাৎ লাইগেশন ও ভ্যাসেকটমী আদৌ করা যাবে না। আল্লাহ্র রাসূল (ছা:) পুরুষকে খাসী হতে নিষেধ করেছেন।

মঙ্গলবার, ১ মার্চ, ২০১১

টেস্টটিউবের মাধ্যমে শিশু জন্ম দেওয়া কি বৈধ?


প্রশ্ন : টেস্টটিউবের মাধ্যমে শিশু জন্ম দেওয়া কি বৈধ? উক্ত শিশু সমাজে কিভাবে পরিচিতি লাভ করবে? দলীল ভিত্তিক জানিয়ে বাধিত করবেন?

উত্তর: টেস্টটিউবের মাধ্যমে সন্তান জন্ম দেওয়া শর্ত সাপেক্ষে জায়েয হতে পারে। কেবলমাত্র স্বামীর বীর্যই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে স্ত্রীর রেহেমে দেয়ার নির্ভরযোগ্য ব্যবস্থা থাকলে, ডাক্তার সততার সাথে তা সম্পন্ন করলে, কোন প্রকার প্রতারণার আশ্রয় না নিলে এবং শারীরিক কোন সমস্যা দেখা না দিলে করা যাবে। এ অবস্থায় উক্ত সন্তান তার পিতার নামেই পরিচিত হবে। সর্বদা মনে রাখতে হবে যে, আল্লাহ্ তাআলাই সবকিছুর সৃষ্টিকর্তা। আল্লাহ্ যাকে চান কন্যা আর যাকে চান পুত্র সন্তান দান করেন, আবার যাকে চান বন্ধ্যা বানান (শূরা ৪৯-৫০)। রোগ হলে আল্লাহ রোগের ঔষধও সেবন করতে বলেছেন। ফলে সাধারণভাবে কারো যদি সন্তান না হয় আর সন্তান নেয়া যদি একান্তই যরূরী হয় তাহলে এ পন্থা অবলম্বন করা যাবে। তবে অন্য কোন ব্যক্তির বীর্য কোনক্রমেই স্ত্রীর রেহেমে প্রবেশ করানো যাবে না। 

শনিবার, ৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১১

স্বামী-স্ত্রীর রক্তের গ্রুপ একই হ’লে সন্তান জন্মের ক্ষেত্রে কোন প্রভাব পড়ে কি


প্রশ্নঃ       স্বামী-স্ত্রীর রক্তের গ্রুপ একই হলে সন্তান জন্মের ক্ষেত্রে কোন প্রভাব পড়ে কি ? এরুপ হলে নাকি সন্তান জন্মের সম্ভাবনা কম থাকে কিম্বা সন্তান বিকলাঙ্গ হতে পারে ? জানিয়ে বাধিত করবেন ।

উত্তরঃ      প্রশ্নোল্লেখিত বক্তব্য সঠিক নয় । কেননা রক্ত মানুষের ভাল-মন্দ করার কোন ক্ষমতা রাখে না । এটি সম্পূর্ণ আল্লাহর এখতিয়ারে ।