নবী-রাসূল লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
নবী-রাসূল লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

সোমবার, ২৬ মার্চ, ২০১২

মুহাম্মাদ (ছাঃ) মি‘রাজে গিয়ে বায়তুল মুক্বাদ্দাসে

প্রশ্নঃ : মুহাম্মাদ (ছাঃ) মিরাজে গিয়ে বায়তুল মুক্বাদ্দাসে সমস্ত নবী-রাসূলের ইমামতি করেছিলেন। উক্ত বক্তব্যের প্রমাণ জানতে চাই। উক্ত ছালাত সুন্নাত ছিল না ফরয ছিল?

উত্তর : উক্ত বক্তব্য সঠিক। হাদীছটি ছহীহ মুসলিমে (হা/১৭২ ঈমান অধ্যায় ৭৫ অনুচ্ছেদ) হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) হ
তে বর্ণিত হয়েছে। হাফেয ইবনু কাছীর (রহঃ) বলেন, এটিই সম্ভাবনাযুক্ত যে, এটি ছিল ফজরের ছালাত এবং এটি স্পষ্ট যে, এটি ছিল মিরাজ থেকে ফেরার পথে বায়তুল মুক্বাদ্দাস মসজিদে। অতঃপর ছালাত শেষে তিনি মসজিদ থেকে বেরিয়ে বোরাকে চড়ে গালাসের অন্ধকারেই মক্কায় ফিরে আসেন (তাফসীর ইবনে কাছীর ইসরা ১ম আয়াতের তাফসীর শেষে উপসংহার)

সোমবার, ১৯ মার্চ, ২০১২

ইবরাহীম (আঃ)-এর স্ত্রী হাজেরার পিতৃ পরিচয়

প্রশ্ন  : ইবরাহীম (আঃ)-এর স্ত্রী হাজেরার পিতৃ পরিচয় জানিয়ে বাধিত করবেন।

উত্তর : উক্ত বিষয়ে কুরআন এবং হাদীছে কোন তথ্য পাওয়া যায় না। ইতিহাসের গ্রন্থগুলোতেও কোন তথ্য মিলে না। তবে তিনি একজন মিসরীয় নারী ছিলেন।

মঙ্গলবার, ১৩ মার্চ, ২০১২

৪০ জন জান্নাতী যুবকের শক্তি মুহাম্মাদ (ছাঃ)-এর শরীরে ছিল।

প্রশ্ন  : জনৈক আলেম বলেছেন, ৪০ জন জান্নাতী যুবকের শক্তি মুহাম্মাদ (ছাঃ)-এর শরীরে ছিল। কথাটি ছহীহ হাদীছ সম্মত?

উত্তর : উক্ত মর্মে বর্ণিত হাদীছটি বাতিল (সিলসিলা যঈফাহ হা/৬৯০, ১৬৮৫, ১৬৮৬)। তবে ত্রিশ জনের সমান তাঁর শক্তি ছিল মর্মে হাদীছটি ছহীহ (বুখারী হা/২৬৮)

সোমবার, ১২ মার্চ, ২০১২

মুহাম্মাদ (ছাঃ) সম্পদের দিক দিয়ে ধনী ছিলেন, না গরীব ছিলেন?

প্রশ্ন  : আমাদের নবী মুহাম্মাদ (ছাঃ) সম্পদের দিক দিয়ে ধনী ছিলেন, না গরীব ছিলেন? ক্বিয়ামতের দিন তিনি কি সবার চেয়ে গরীব হয়ে উঠবেন?

উত্তর : রাসূল (ছাঃ)-এর জীবনে অসচ্ছলতা ও সচ্ছলতা দু’টিই ছিল। তবে তিনি দো‘আ করতেন, হে আল্লাহ্! আপনি আমাকে জীবিত রাখুন মিসকীন অবস্থায়, আমাকে মৃত্যু দিন মিসকীন অবস্থায় এবং ক্বিয়ামত দিবসে আমাকে মিসকীনদের দলভুক্ত করুন! এর কারণ জিজ্ঞেস করলে তিনি স্ত্রী আয়েশা (রাঃ)-কে বললেন যে, কেননা তারা ধনীদের চল্লিশ বছর আগে জান্নাতে যাবে
(তিরমিযী হা/২৩৫২; ইবনু মাজাহ হা/৪১২৬; মিশকাত হা/৫২৪৪)। অন্য বর্ণনায় এসেছে, পাঁচশত বছর পূর্বে(তিরমিযী, ইবনু মাজাহ হা/৪১২২; মিশকাত হা/৫২৪৩)

বুধবার, ১ ফেব্রুয়ারি, ২০১২

নবী ও রাসূলগণের মধ্যে পার্থক্য কী?


প্রশ্ন  : নবী ও রাসূলগণের মধ্যে পার্থক্য কী? তাঁদের সংখ্যা কত? তাঁদের উপর কতখানা কিতাব নাযিল হয়েছিল?

উত্তর: নবী এবং রাসূলের মধ্যে পার্থক্য হ
ল, আল্লাহ তাআলা যাকে নতুন শরীআত দিয়ে তাঁর সম্প্রদায়ের নিকট পাঠান তাঁকে রাসূল বলা হয়।  আর যাকে নতুন শরীআত না দিয়ে পূর্বের রাসূলের শরীআতই প্রচারের দায়িত্ব দিয়ে পাঠান তাঁকে নবী বলা হয় (আলোচনা দ্রঃ সিলসিলা ছহীহাহ হা/২৬৬৮, ৬/১৬৭ পৃঃ)। প্রত্যেক নবী রাসূল নন। তবে প্রত্যেক রাসূলই নবী।
নবী ও রাসূলের সংখ্যা বিষয়ে আল্লাহ তা
আলা বলেন, আমি আপনার নিকট ইতিপূর্বে বহু রাসূলের কথা বর্ণনা করেছি এবং অনেক রাসূলের কথা আপনাকে বলিনি (নিসা ১৬৪)। তবে একটি প্রশ্নের জবাবে রাসূল (ছাঃ) বলেন, নবীগণের সংখ্যা হল, ১,২৪,০০০। তার মধ্যে ৩১৩ জন, অন্য বর্ণনায় ৩১৫ জন রাসূল (আহমাদ, সনদ হাসান, আলোচনা দ্রঃ সিলসিলা ছহীহাহ হা/২৬৬৮; ফাৎহুলবারী ১০/১০৪; মিশকাত হা/৫৭৩৭)। চারজন রাসূলের উপর চারটি প্রধান কিতাব নাযিল হয়েছে। মূসা (আঃ)-এর উপরে তাওরাত, দাঊদ (আঃ)-এর উপরে যাবূর, ঈসা (আঃ)-এর উপরে ইনজীল এবং মুহাম্মাদ (ছাঃ)-এর উপরে কুরআন। কোন কোন নবী ও রাসূলের উপর ছহীফা (পুস্তিকা) আকারে কিতাব নাযিল হয়েছে (আলা ১৯)

মঙ্গলবার, ৩ জানুয়ারি, ২০১২

দাঊদ (আঃ) এক মহিলার প্রেমে পড়েছিলেন


প্রশ্ন  : দাঊদ (আঃ) এক মহিলার প্রেমে পড়েছিলেন মর্মে মুফাসসিরগণ যে বক্তব্য দিয়ে থাকেন তা কি সঠিক?
 
উত্তর : উক্ত বিবরণটি মিথ্যা ও বানাওয়াট। ইমাম কুরতুবী ইবনে আরাবীর বরাত দিয়ে এটাকে মিথ্যা বলে আখ্যায়িত করেছেন (কুরতুবী ১৫/১৬৭ পৃঃ, সূরা ছোয়াদ ২১নং আয়াতের ব্যাখ্যা দ্রঃ; নবীদের কাহিনী ২/১৩৬)