জিন-শয়তান লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
জিন-শয়তান লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

শুক্রবার, ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০১২

কোন কোন রাতে জিন আমাকে ভয় দেখায়।

প্রশ্নঃ  : আমি একজন দোকানদার। মাঝে মাঝে অনেক রাতে দোকান থেকে বাড়ীতে আসি। কোন কোন রাতে জিন আমাকে ভয় দেখায়। কখনো রাস্তার ধারে বিশাল মূর্তি আকারে দাঁড়িয়ে থাকে। কখনো কোন পশুর রূপ ধারণ করে। এ বিষয়ে গ্রামের এক আলেমকে বললে তিনি এ সময় আযান দিতে বলেন। তাহলে শয়তান পালিয়ে যাবে। উক্ত কথা কি সঠিক? এ থেকে বাঁচার উপায় কী?

উত্তর : ছালাতের সময় আযান দিলে শয়তান বায়ু ছাড়তে ছাড়তে পালিয়ে যায় (মুত্তাফাক্ব আলাইহ, মিশকাত হা/৬৫৫)। কিন্তু শয়তান কর্তৃক আক্রান্ত হলে আযান শুনলে সে পালিয়ে যায় এমনটি প্রমাণিত নয়। তবে সূরা ফালাক্ব ও নাস পড়লে শয়তান দূরে
  সরে যায় (আবুদাঊদ হা/১৪৭৩; মিশকাত হা/২১৬২ ও ২১৬৩)। অনেক সময় মনের ভয় থেকে মানুষ জিন-ভূত দেখে। আসলে হয়ত কিছুই নয়। অতএব মনে সাহস রাখুন। আল্লাহর উপর ভরসা করুন এবং সূরা ফালাক্ব ও নাস পড়ুন। শয়তান পালিয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ।

মঙ্গলবার, ১৫ নভেম্বর, ২০১১

জিনদের কেউ মারা গেলে তারাও কি মানুষের মত

প্রশ্ন  : জিনদের কেউ মারা গেলে তারাও কি মানুষের মত কবর দেয়? তারা কোথায় বাস করে? তারা কি তাদের রূপ পরিবর্তন করতে পারে?

উত্তর : কিভাবে তারা জন্ম গ্রহণ করে, কিভাবে মৃত্যু বরণ করে, কি কর্ম করে, কি ধরনের পোষাক পরে এগুলো সম্পর্কে কোন তথ্যই কুরআন-হাদীছে পাওয়া যায় না। তবে যেহেতু রাসূল (ছাঃ)-কে জিন জাতির জন্যও প্রেরণ করা হয়েছে। অতএব তারাও কবর দেয়ার ইসলামী রীতি অবশ্যই মেনে চলতে বাধ্য। তবে তার ধরণ মানুষের অজানা। জিনদেরকেও ইবাদতের জন্য সৃষ্টি করা হয়েছে (যারিয়াত ৫৬)। ক্বিয়ামতের দিন তারা জিজ্ঞাসিত হবে (আন‘আম ১৩০)।  জিনরা রাসূল (ছাঃ)-এর নিকট দ্বীন শেখার জন্য এসেছিল (জিন ১; আহকাফ ২৯)। তাদের মধ্য থেকে  অনেকে ইসলামও গ্রহণ করেছে (ছহীহ আবুদাঊদ হা/৫২৫৭)। রাসূল (ছাঃ)ও তাদের নিকট ইসলাম প্রচারের জন্য গিয়েছেন (ছহীহ তিরমিযী হা/৩২৫৮)। অতএব শরী‘আতের বিধান তাদের জন্যও প্রযোজ্য। জিনেরা মরুভূমি, গর্ত, মানুষের বসতবাড়ী সহ বিভিন্ন জায়গায় বসবাস করে। কিছু জিন ময়লা-আবর্জনাযুক্ত স্থানে, টয়লেটে, কবরস্থানে থাকে। এরা বিভিন্ন রূপ ধারণ এবং রূপ পরিবর্তন করতে পারে (বুখারী হা/২৩১১; আবুদাঊদ হা/৫২৫৭; মিশকাত হা/৪১১৮; মিশকাত হা/৪১৪৮)

বৃহস্পতিবার, ১৪ এপ্রিল, ২০১১

জিনদের সাহায্য গ্রহণ


প্রশ্ন : রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) ও ছাহাবায়ে কেরামের কেউ কি কখনো জিনদের সাহায্য গ্রহণ করেছেন এবং জিনদের সহায়তায় কারো চিকিৎসা করেছেন?

উত্তরঃ রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) ও ছাহাবায়ে কেরাম জিনদের সহায়তায় নিজেদের বা অন্যের চিকিৎসা করেছেন মর্মে কোন দলীল পাওয়া যায় না। তাছাড়া দুষ্ট জিনেরা সর্বদা মানুষকে বিপথে প্ররোচিত করে থাকে (আন‘আম ১২৮; জিন ৬)। একদা কিছু লোক রাসূলের কাছে এসে বলে, হে রাসূল (ছাঃ)! গণৎকাররা কেমন? এদের কথা অনেক সময় সত্য হয়’। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বললেন, ওরা কিছুই নয়। ওরা আকাশে ফেরেশতাদের আলোচনা থেকে কিছু কথা চুরি করে এনে দুনিয়ায় তার বন্ধুর কানে ভরে দেয়। তারপর ঐ জ্যোতিষী বন্ধু তাতে শত মিথ্যা যোগ করে মানুষকে বলে (মুত্তাফাক্ব আলাইহ, মিশকাত হা/৪৫৯২-৯৩,
জ্যোতিষীর গণনা’ অনুচ্ছেদ)। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, যে ব্যক্তি গণৎকারের কাছে যায় এবং (তার কথা সত্য ভেবে) তার কাছে কোন কথা জিজ্ঞেস করে, তার চল্লিশ দিনের ছালাত কবুল করা হয় না (মুসলিম, মিশকাত হা/৪৫৯৫)

বৃহস্পতিবার, ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০১১

জিন মানুষের শরীরে প্রবেশ করতে পারে কি?


প্রশ্ন : জিন মানুষের শরীরে প্রবেশ করতে পারে কি?

উত্তর: জিনদের মধ্যে যারা শয়তান তারা মানুষের শরীরে প্রবেশ করতে পারে। রাসূলুল্লাহ (ছা:) বলেন, তোমরা সেই মহিলার কাছে প্রবেশ করো না যার স্বামী অনুপস্থিত রয়েছে। কারণ তোমাদের যে কারো মধ্যে শয়তান প্রবেশ করতে পারে রক্তনালীতে রক্ত প্রবাহিত হওয়ার ন্যায় (ছহীহ্ তিরমিযী হা/১১৭২)। অন্য বর্ণনায় এসেছে, শয়তান মানুষের মধ্যে পৌঁছে, রক্তনালীতে রক্ত পৌঁছার ন্যায় (মুত্তাফাক্ব আলাইহ, মিশকাত হা/৬৮ ওয়াসওয়াসা অনুচ্ছেদ)।