গুণাহ - তওবা - ক্ষমা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
গুণাহ - তওবা - ক্ষমা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

বুধবার, ৪ এপ্রিল, ২০১২

চোর তওবা করার পূর্বে মারা গেলে জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে কি?

প্রশ্ন  : চোর তওবা করার পূর্বে মারা গেলে জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে কি?
 
উত্তর : চুরি করা কাবীরা গুনাহের অন্তর্ভুক্ত। কাজেই কেউ চুরি করার পর তওবা না করে মারা গেলে সে চুরির অপরাধে জাহান্নামে শাস্তি ভোগ করবে। তবে সে যদি আন্তরিক বিশ্বাস নিয়ে কালেমা পড়ে থাকে, তাহ
লে কালেমায়ে শাহাদাতের বরকতে এবং শেষনবী মুহম্মাদ (ছাঃ)-এর শাফাআতে এক সময় জান্নাতে ফিরে আসবে (বুখারী ও মুসলিম, মিশকাত হা/৫৫৭৩)

শনিবার, ১৭ মার্চ, ২০১২

অপকর্ম চালু রেখে মারা গেলে তার পাপের ভাগ

প্রশ্ন  : কোন ব্যক্তি গান-বাজনাসহ অন্যান্য অপকর্ম চালু রেখে মারা গেলে তার পাপের ভাগ সে পেতে থাকবে কি?

উত্তর : হাঁ উক্ত পাপের ভাগ মরণের পরেও তার আমলনামায় জারি থাকবে। কারণ রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেছেন, যে ব্যক্তি ইসলামে কোন মন্দ কাজ চালু করল, তার পাপ এবং যারা ঐ মন্দ কাজ করল, তাদের সমপরিমাণ পাপ ঐ ব্যক্তির আমলনামায় লেখা হবে (মুসলিম, মিশকাত হা/২১০; তিরমিযী হা/২৬৭৫; ইবনু মাজাহ হা/২০৭, ২২৩)

শনিবার, ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১২

যেনাকারীকে আ­ল্লাহ তা‘আলা ক্বিয়ামতের দিনে

প্রশ্ন  : যেনাকারীকে আ­ল্লাহ তাআলা ক্বিয়ামতের দিনে কেমন শাস্তি দিবেন?।
 
উত্তর : যেনা অতীব জঘন্য কর্ম। তওবা ছাড়া আল্লাহ তাকে মাফ করবেন না। আল্লাহ বলেন, ক্বিয়ামতের দিন তার শাস্তি দ্বিগুণ হবে এবং সেখানে সে স্থায়ী হবে হীন অবস্থায় (ফুরক্বান ৬৯)। হাদীছে এসেছে, তাদেরকে উলঙ্গ অবস্থায় একটি পেটমোটা সরু মুখ সম্পন্ন চুলায় জ্বলন্ত আগুনের মাঝে পোড়ানো হবে (বুখারী হা/১৩৮৬; মিশকাত হা/৪৬২১)

সোমবার, ৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১২

সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত বা আহত হওয়ার পর

প্রশ্ন  : সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত বা আহত হওয়ার পর অধিকাংশ ক্ষেত্রেই প্রকৃত কারণ চিহ্নিত না করেই পরিবহনের মালিকের নিকট থেকে ক্ষতিপূরণ নেওয়া হয়। এ ব্যাপারে শরীআতের দৃষ্টিভঙ্গি কী?

উত্তর : মানুষ নিহত হওয়ার কারণ ৩টি- ভুলক্রমে, ইচ্ছাকৃতভাবে হত্যা করা ও ইচ্ছাকৃতভাবে হত্যা করার ন্যায় হত্যা করা। গাড়ী দুর্ঘটনায় মানুষ মারা গেলে উক্ত ৩টি কারণের যেকোন একটির মধ্যে পড়ে যায়। প্রথম ও তৃতীয় কারণে হত্যাকান্ড সংঘটিত হলে ১০০টি উট বা তার সমপরিমাণ মূল্যের রক্তপণ দিতে হবে। আর দ্বিতীয় কারণে নিহত হলে তার শাস্তি হল- মৃত্যুদন্ড। তবে যদি নিহত ব্যক্তির ওয়ারিছগণ ক্ষমা করে দিয়ে রক্তপণ নিতে চায়, তাহলে তা করা যাবে (বাক্বারাহ ১৭৮; দারাকুৎনী, বুলূগুল মারাম হা/১১৭৭, ১১৭৮)
আহত ব্যক্তির ক্ষতিপূরণ হল: সম্পূর্ণ নাক, চোখ, জিহবা, ঠোঁট কাটা গেলে, মেরুদন্ড ভেঙ্গে গেলে বা অন্য কোন অঙ্গ কেটে গেলে ১০০ টি উট ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। এছাড়া সাধারণ ক্ষতি হলে প্রতি ক্ষতির বিনিময়ে ১০টি করে উট দিতে হবে। একটি দাঁতের জন্য পাঁচটি উট দিতে হবে (নাসাঈ হা/৪৮৫৩; মিশকাত হা/৩৪৯২; বুলূগুল মারাম হা/১১৭৫, সনদ ছহীহ)। প্রকৃত কারণ চিহ্নিত করার দায়িত্ব আদালতের কিংবা যথাযথ কর্তৃপক্ষের। তারা সেটা নির্ধারণ করার পরই ক্ষতিপূরণ নেওয়া হবে। নইলে সেটা যুলুম হবে। আর যুলুম করা ইসলামে নিষিদ্ধ।

শনিবার, ৭ জানুয়ারি, ২০১২

যদি কোন মেয়েকে তার শ্বশুর বাড়ির লোকেরা নির্যাতন করে,


প্রশ্ন  : যদি কোন মেয়েকে তার শ্বশুর বাড়ির লোকেরা নির্যাতন করে, আর সে যদি তা পিতাকে জানায় তাহলে গীবত হবে কি?

উত্তর : মেয়ের কোন দোষ না থাকলে সে তার স্বামীকে জানিয়ে তার মাধ্যমে সমাধান করার চেষ্টা করবে। যদি সে সমাধান করতে ব্যর্থ হয় এবং তার পক্ষে ধৈর্য ধারণ করা সম্ভব না হয় তাহলে সমাধানের লক্ষ্যে তার অভিভাবককে জানাতে পারবে এবং এর জন্য বিচার প্রার্থী হতে পারবে। অতঃপর উভয় পরিবার মিলে এর সমাধান করবে। বিচারপ্রার্থী হলে তা গীবতের অন্তর্ভুক্ত হবে না। কারণ ছয়টি ক্ষেত্রে গীবত হয় না, যার একটি হ
ল অন্যায়ের জন্য বিচার প্রার্থী হওয়া (মুসলিম হা/২৫৮৯ গীবত হারাম হওয়া অনুচ্ছেদ, নববীর ব্যাখ্যা দ্রষ্টব্য)। তবে সমাধানের উদ্দেশ্যে না হলে গীবত হয়ে যাবে।

মঙ্গলবার, ১৩ ডিসেম্বর, ২০১১

শারঈ আইনে মুরতাদের মৃত্যুদন্ড দেওয়া কি মানবাধিকার লংঘন নয়?

প্রশ্ন  : শারঈ আইনে মুরতাদের মৃত্যুদন্ড দেওয়া কি মানবাধিকার লংঘন নয়?
 
উত্তর : বর্তমান বিশ্বে কোন ব্যক্তি তার দেশের কোন আইনের বিরোধিতা করলে রাষ্ট্রদ্রোহী সাব্যস্ত হয় এবং তার জেল বা ফাঁসি হয়। নিজেদের তৈরি করা আইনের বিরোধিতা করলে যদি এধরনের শাস্তি হয়, তাহ
লে সৃষ্টিকর্তা আল্লাহর আইনের বিরোধিতা করলে কেমন শাস্তি হওয়া উচিত? যে ব্যক্তি আল্লাহর আইনের বিরোধিতা করল এবং সমাজে বিশৃংখলা সৃষ্টি করল, অন্যদের আক্বীদায় বিভ্রান্তি এনে দিল, তার শাস্তি কম হবে কেন? এরপর তাকে তিনদিন তওবা করার সুযোগ দিতে হবে। এর মধ্যে তওবা করলে সে বেঁচে যাবে। অবশ্য ইসলামী আইন চালু আছে এরূপ ইসলামী রাষ্ট্রের শুধুমাত্র ইসলামী আদালতের মাধ্যমেই কেবল এই শাস্তি বাস্তবায়ন করতে হবে।