খেলাধুলা ও শরীরচর্চা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
খেলাধুলা ও শরীরচর্চা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

বুধবার, ৯ নভেম্বর, ২০১১

তাস, দাবা, কেরাম বোর্ড, লুডু খেলা শরী‘আতের দৃষ্টিতে কেমন

প্রশ্ন  : তাস, দাবা, কেরাম বোর্ড, লুডু খেলা শরী‘আতের দৃষ্টিতে কেমন অপরাধ? এর শাস্তি কি?

উত্তর : খেলা-ধুলা মানুষের জন্মগত স্বভাব। এর উদ্দেশ্য সাময়িক শরীর চর্চা। যা স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। বয়স ভেদে মানুষের শরীর চর্চার ধরনের পরিবর্তন হয়। কিন্তু সাময়িক শরীর চর্চার বদলে যদি তা কেবল সময়ের অপচয় হয়, স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর হয়, যদি ঐ ব্যক্তি দ্বীন থেকে গাফেল হয়, দায়িত্ব বিস্মৃত হয় বা তাতে জুয়া মিশ্রিত হয়, তখন ঐ খেলা হারামে পরিণত হয়। একদিন দু’জন আনছার ছাহাবী তীর নিক্ষেপ প্রতিযোগিতা করছিলেন। হঠাৎ একজন বসে পড়লেন। তখন অপরজন বিস্মিত হয়ে বললেন, কি ব্যাপার। কষ্ট হয়ে গেল নাকি? জবাবে তিনি বললেন, ‘আমি রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-কে বলতে শুনেছি যে, প্রত্যেক বস্তু যা আল্লাহর স্মরণকে ভুলিয়ে দেয়, সেটাই অনর্থক (
لَهْو) ... (নাসাঈ, ছহীহাহ হা/৩১৫)। এতে বুঝা যায় যে, বৈধ খেলাও যদি আল্লাহর স্মরণকে ভুলিয়ে দেয়, তবে সেটাও জায়েয হবে না। ইমাম বুখারী (রহঃ) অনুচ্ছেদ রচনা করেছেন, ‘প্রত্যেক খেলা-ধুলা (لَهْو) বাতিল, যদি তা আল্লাহর আনুগত্য থেকে উদাসীন করে দেয় (ফাৎহুলবারী ‘অনুমতি গ্রহণ’ অধ্যায় ৭৯, অনুচ্ছেদ ৫২; ১১/৯৪ পৃঃ)। আল্লাহ বলেন, লোকদের মধ্যে এমন কিছু লোক আছে, যারা অজ্ঞতাবশে বাজে কথা খরিদ করে মানুষকে আল্লাহর পথ থেকে বিচ্যুৎ করার জন্য এবং সত্য পথকে তারা বিদ্রুপ করে, তাদের জন্য রয়েছে লাঞ্ছনাকর শাস্তি’। ‘যখন তার নিকট আমাদের আয়াত সমূহ পাঠ করা হয়, তখন সে দম্ভভরে মুখ ফিরিয়ে নেয়, যেন সে এটা শুনতেই পায়নি। যেন তার দুই কানে বধিরতা আছে। অতএব তুমি তাকে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তির সুসংবাদ দাও (লোকমান ৬-৭)
প্রশ্নে বর্ণিত খেলাসমূহে উপরে বর্ণিত ক্ষতিকর বিষয়সমূহ থাকায় তা অবশ্যই ‘বাতিল’ বলে গণ্য হবে। তাদেরকে উপদেশের মাধ্যমে ফেরাতে হবে। নইলে পিতা-মাতা, অভিভাবক বা সমাজ নেতাগণ অনুশাসন মূলক শাস্তি দিবেন। শারঈ দন্ড যা এক্ষেত্রে ১০ বেত্রাঘাতের উপরে নয়, তা কেবল সরকারী আদালত দিতে পারে (ফিক্বহুস সুন্নাহ ৩/৬৫)

বৃহস্পতিবার, ৩ নভেম্বর, ২০১১

তাস, দাবা, কেরাম বোর্ড, লুডু খেলা শরী‘আতের দৃষ্টিতে কেমন

প্রশ্ন  : তাস, দাবা, কেরাম বোর্ড, লুডু খেলা শরী‘আতের দৃষ্টিতে কেমন অপরাধ? এর শাস্তি কি?

উত্তর : খেলা-ধুলা মানুষের জন্মগত স্বভাব। এর উদ্দেশ্য সাময়িক শরীর চর্চা। যা স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। বয়স ভেদে মানুষের শরীর চর্চার ধরনের পরিবর্তন হয়। কিন্তু সাময়িক শরীর চর্চার বদলে যদি তা কেবল সময়ের অপচয় হয়, স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর হয়, যদি ঐ ব্যক্তি দ্বীন থেকে গাফেল হয়, দায়িত্ব বিস্মৃত হয় বা তাতে জুয়া মিশ্রিত হয়, তখন ঐ খেলা হারামে পরিণত হয়। একদিন দু’জন আনছার ছাহাবী তীর নিক্ষেপ প্রতিযোগিতা করছিলেন। হঠাৎ একজন বসে পড়লেন। তখন অপরজন বিস্মিত হয়ে বললেন, কি ব্যাপার। কষ্ট হয়ে গেল নাকি? জবাবে তিনি বললেন, ‘আমি রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-কে বলতে শুনেছি যে, প্রত্যেক বস্তু যা আল্লাহর স্মরণকে ভুলিয়ে দেয়, সেটাই অনর্থক (
لَهْو) ... (নাসাঈ, ছহীহাহ হা/৩১৫)। এতে বুঝা যায় যে, বৈধ খেলাও যদি আল্লাহর স্মরণকে ভুলিয়ে দেয়, তবে সেটাও জায়েয হবে না। ইমাম বুখারী (রহঃ) অনুচ্ছেদ রচনা করেছেন, ‘প্রত্যেক খেলা-ধুলা (لَهْو) বাতিল, যদি তা আল্লাহর আনুগত্য থেকে উদাসীন করে দেয় (ফাৎহুলবারী ‘অনুমতি গ্রহণ’ অধ্যায় ৭৯, অনুচ্ছেদ ৫২; ১১/৯৪ পৃঃ)। আল্লাহ বলেন, লোকদের মধ্যে এমন কিছু লোক আছে, যারা অজ্ঞতাবশে বাজে কথা খরিদ করে মানুষকে আল্লাহর পথ থেকে বিচ্যুৎ করার জন্য এবং সত্য পথকে তারা বিদ্রুপ করে, তাদের জন্য রয়েছে লাঞ্ছনাকর শাস্তি’। ‘যখন তার নিকট আমাদের আয়াত সমূহ পাঠ করা হয়, তখন সে দম্ভভরে মুখ ফিরিয়ে নেয়, যেন সে এটা শুনতেই পায়নি। যেন তার দুই কানে বধিরতা আছে। অতএব তুমি তাকে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তির সুসংবাদ দাও (লোকমান ৬-৭)
প্রশ্নে বর্ণিত খেলাসমূহে উপরে বর্ণিত ক্ষতিকর বিষয়সমূহ থাকায় তা অবশ্যই ‘বাতিল’ বলে গণ্য হবে। তাদেরকে উপদেশের মাধ্যমে ফেরাতে হবে। নইলে পিতা-মাতা, অভিভাবক বা সমাজ নেতাগণ অনুশাসন মূলক শাস্তি দিবেন। শারঈ দন্ড যা এক্ষেত্রে ১০ বেত্রাঘাতের উপরে নয়, তা কেবল সরকারী আদালত দিতে পারে (ফিক্বহুস সুন্নাহ ৩/৬৫)

বৃহস্পতিবার, ২৭ অক্টোবর, ২০১১

রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-এর যুগে বাচ্চা মেয়েরা যে পুতুল


প্রশ্ন  : রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-এর যুগে বাচ্চা মেয়েরা যে পুতুল নিয়ে খেলত, তা কি দিয়ে তৈরি ছিল? আমাদের দেশের মেয়েরা যে  পুতুল নিয়ে খেলা করে তা কি বৈধ?

উত্তর : আয়েশা (রাঃ) হ’তে বর্ণিত, আমি নবী করীম (ছাঃ)-এর সম্মুখে পুতুল নিয়ে খেলা করতাম আর আমার কিছু সাথীও আমার সাথে খেলা করত। যখন রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) প্রবেশ করতেন তখন তারা আত্মগোপন করত। কিন্তু তিনি তাদেরকে আমার নিকট পাঠিয়ে দিতেন, অতঃপর তারা আমার সাথে খেলত (বুখারী ও মুসলিম, মিশকাত হা/৩২৪৩)। আয়েশা (রাঃ) মাটি দিয়ে নিজ হাতে এই পুতুলগুলো বানিয়েছিলেন। অতএব এভাবে মাটির পুতুল তৈরি করে তাকে কাপড় পরানো ও সেবাযত্ন করার মাধ্যমে ভবিষ্যতে সন্তান প্রতিপালনের প্রশিক্ষণ নিতে পারে। এতে দোষ নেই। কিন্তু এই অজুহাতে বাজার থেকে দেশী-বিদেশী বিভিন্ন প্রাণীর খেলনা পুতুল কিনে আনা জায়েয নয় (মুহাম্মাদ বিন জামীল যায়নু, তাওজীহাত ইসলামিয়্যাহ, পৃঃ ১১২, বিস্তারিত দ্রঃ ‘ছবি ও মূর্তি’ বই)
উল্লেখ্য, বর্তমানে প্লাস্টিক দ্বারা বা এর চেয়ে উন্নত কোন পদার্থ দ্বারা কুকুর, বানর, বিড়াল, হাতি, ঘোড়া, মাছ, সাপ ইত্যাদির মূর্তি তৈরি করা হচ্ছে এবং তা আলমারি, ঘরে বা গাড়িতে রেখে দেওয়া হচ্ছে বা ঝুলিয়ে রাখা হচ্ছে এগুলো পুতুলের নামে মূর্তি পূজার শামিল। অতএব খেলনা পুতুল এমনকি প্রাণীর মূর্তি বিশিষ্ট মিষ্টান্ন বানানো ও তা ক্রয়-বিক্রয় থেকে বিরত থাকাই উত্তম।

বৃহস্পতিবার, ২০ জানুয়ারি, ২০১১

সম্প্রতি ইরানী মেয়েরা বাংলাদেশে এসে হিজাব পরে ফুটবল খেলে গেল


প্রশ্নঃ        সম্প্রতি ইরানী মেয়েরা বাংলাদেশে এসে হিজাব পরে ফুটবল খেলে গেল মেয়েদের জন্য এই খেলা কি বৈধ ?

উত্তরঃ              নারীদের জন্য এসব খেলা সর্বাবস্থায় হারাম এসব খেলা নারীদের স্বাস্থ্য , স্বভাব ও মর্যাদার বিরোধী আল্লাহ তাদেরকে বাড়ীতে থাকার নির্দেশ দান করেছেন ( আহযাব ৩৩ ) তিনি বলেন , মেয়েরা যেন এমনভাবে পা না ফেলে , যা তাদের গোপন সৌন্দর্য অন্যকে জানিয়ে দেয় ( নূর - ৩১) পর পুরুষের সামনে মেয়েদের খেলা-ধুলা , নাচ-গান ও শারীরিক কসরৎ সবই আল্লাহর উক্ত আদেশের বিরোধী যা কেবল হিজাব পরলেই দূর হয় না অতএব এসব থেকে আল্লাহভীরু মেয়েদের দূরে থাকতে হবে এর পরেও যখন তা টিভিতে বিশ্বব্যাপী প্রচারিত হয় , তাতে পাপের পরিমাণ আরও বৃদ্ধি পায়