তাহাজ্জুদ-তারাবীহ-সালাতুল লাইল লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
তাহাজ্জুদ-তারাবীহ-সালাতুল লাইল লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

বৃহস্পতিবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০১১

জনৈক আলেম বলেন, রাসূল (ছাঃ)


প্রশ্ন  : জনৈক আলেম বলেন, রাসূল (ছাঃ) একটি আয়াত দ্বারা সমস্ত রাত্রি ছালাত আদায় করেন? উক্ত কথা কি সঠিক?

উত্তর : একদিন এরূপ করেছিলেন (বুখারী হা/৪৬২৫, ৪৭৪০; মুসলিম হা/২৮৬০; তিরমিযী ১৪২৩)। কারণ রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-এর নিয়মিত অভ্যাস এরূপ ছিল না।

বৃহস্পতিবার, ৩০ জুন, ২০১১

মসজিদে হারামে রামাযানের ২০ তারিখের পর

প্রশ্ন  : মসজিদে হারামে রামাযানের ২০ তারিখের পর রাত  ৯-টা থেকে ১১-টা পর্যন্ত ২০ রাকআত ছালাতুল লাইল আদায় করা হয়। অতঃপর রাত ১-টা হতে ৩-টা পর্যন্ত ১১ রাকআত ক্বিয়ামুল লাইল জামআতের সাথে আদায় করা হয়। উক্ত ছালাতের বিশুদ্ধ প্রমাণ জানিয়ে বাধিত করবেন। এছাড়া তারাবীহ ও তাহাজ্জুদ এবং ক্বিয়ামুল লাইল ও ছালাতুল লাইল কি পৃথক পৃথক ছালাত?

উত্তর : উক্ত পদ্ধতির পক্ষে শরী
আতে কোন দলীল পাওয়া যায় না। কারণ রাতের নফল ছালাত রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) রমাযান এবং রমাযান ছাড়া অন্য সময়ে এগারো রাকআতের বেশী পড়েননি (বুখারী, মুসলিম প্রভৃতি)। সুতরাং মসজিদুল হারামে করা হচ্ছে বলে একে দলীল হিসাবে গ্রহণ করা যাবে না। উল্লেখ্য, অন্য হাদীছে এসেছে, রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, কোন এক ব্যক্তি রাসূল (ছাঃ)-কে রাতের ছালাত সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, রাতের ছালাত দুরাকআত দুরাকআত। এভাবে যদি সকাল হয়ে যাওয়ার আশংকা থাকে তাহলে এক রাকআত আদায় করে নিবে যা পূর্বে পঠিত ছালাতকে বেজোড় করে ফেলবে (বুখারী হা/৪৭২)। উক্ত হাদীছের আলোকে অনেকে বেশী পড়ার কথা বললেও তা ১১ রাকআতের বেশী হবে না । কারণ রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) ১১ রাকআতের বেশী পড়েননি। ক্বিয়ামুল লাইল আর ছালাতুল লাইল একই ছালাত। হাদীছে উভয় শব্দই ব্যবহার করা হয়েছে (ছহীহ আবুদাঊদ হা/৭৬৬)

সোমবার, ২৭ জুন, ২০১১

আমি তাহাজ্জুদ ছালাত আদায় করার চেষ্টা করি।


প্রশ্ন  : আমি তাহাজ্জুদ ছালাত আদায় করার চেষ্টা করি। অনেক সময় জাগতে না পারায় ছুটে যায়।  এমতাবস্থায় কিভাবে বিতর পড়তে হবে?

উত্তর : তাহাজ্জুদ ছালাত ছুটে গেলে দিনে পড়ে নেয়া ভাল। আয়েশা (রাঃ) বলেন, যে কোন কারণে রাতে ছালাত ছুটে গেলে, নবী করীম (ছাঃ) দিনে ১২ রাক
আত ছালাত আদায় করতেন (মুসলিম হা/১৭৩৯, ৪৩ মুসাফিরের ছালাত অধ্যায়)। তাহাজ্জুদ রাসূলের জন্য ছিল নির্ধারিত নফল ছালাত (বনু ইস্রাঈল ৭৯)। অন্যদেরকেও রাত্রির নফল ছালাত আদায়ে উৎসাহিত করা হয়েছে। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, ফরয ছালাতের পর সর্বোত্তম ছালাত হল রাতের ছালাত (মুসলিম, মিশকাত হা/২০৩৯)। তিনি বলেন, আল্লাহ্র নিকট প্রিয়তম নেক আমল হল যা নিয়মিত করা হয়। যদিও তা কম হয় (মুত্তাফাক্ব আলাইহ, মিশকাত হা/১২৪২)। কিন্তু দুর্বল মানুষ সবসময় একটি নেক আমল নিয়মিতভাবে করতে সক্ষম হয় না। সেকারণ তিনি বলেন, তাহাজ্জুদের নিয়তে ঘুমিয়ে গেলেও পরে যদি কেউ সময়মত উঠতে না পারে, তাহলে নিয়তের কারণে ঐ ব্যক্তি পূর্ণ নেকী পাবে এবং উক্ত ঘুম তার জন্য ছাদাক্বা হবে (নাসাঈ, ইবনু মাজাহ, ইরওয়া হা/৪৫৪)। অন্যত্র তিনি বলেন, যদি কেউ আগ রাতে বিতরের পর দুরাকআত নফল ছালাত আদায় করে এবং শেষ রাতে তাহাজ্জুদে উঠতে সক্ষম না হয়, তাহলে উক্ত দুরাকআত তার জন্য যথেষ্ট হবে (দারেমী, মিশকাত হা/১২৮৬)। আল্লাহ বলেন, যারা ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে, তাদের জন্য রয়েছে অবিচ্ছিন্ন পুরস্কার (হা-মীম সাজদাহ ৮, তীন ৬)। অতএব দুএক রাত ছুটে গেলেও তাহাজ্জুদের অভ্যাস জারি রাখা কর্তব্য।  রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, কেউ বিতর রেখে ঘুমিয়ে গেলে সে যেন সকালে বিতর পড়ে নেয় (তিরমিযী, মিশকাত হা/১২৬৮)। অন্য বর্ণনায় আছে, নবী করীম (ছাঃ) বলেন, কেউ বিতর রেখে ঘুমিয়ে গেলে অথবা ভুলে গেলে যখন স্মরণ হবে অথবা যখন ঘুম থেকে জাগবে, তখন সে যেন বিতর পড়ে নেয় (তিরমিযী, মিশকাত হা/১২৭৯)

রবিবার, ২৪ এপ্রিল, ২০১১

তাহাজ্জুদ ছালাত সর্বনিম্ন কত রাক‘আত


প্রশ্ন: : তিন রাক‘আত বিতর ব্যতীত তাহাজ্জুদ ছালাত সর্বনিম্ন কত রাক‘আত আদায় করা যায়?

উত্তর: বিতর ব্যতীত তাহাজ্জুদ ছালাতের সর্বনিম্ন রাক‘আত সংখ্যা হচ্ছে দুই (মুসলিম হা/১৩৯, ‘মুসাফিরের ছালাত’ অধ্যায়)। এছাড়া রাসূলুল্লাহ (ছা:) বলেছেন, রাতের (নফল) ছালাত দু’রাক‘আত দু’রাক‘আত’ (বুখারী হা/৪৭২; মুসলিম হা/৭৪৯; মিশকাত হা/১২৫৪)। অতএব সর্বনিম্ন দু’রাক‘আতও আদায় করা যাবে (বিস্তরিত দ্র: ছালাতুর রাসূল (ছা:), পৃ: ১০১)

মঙ্গলবার, ১ মার্চ, ২০১১

এশার ছালাতের পর বিতর পড়লে শেষ রাতে তাহাজ্জুদ পড়ার পর পুনরায় বিতর পড়তে হবে কি?


প্রশ্ন : এশার ছালাতের পর বিতর পড়লে শেষ রাতে তাহাজ্জুদ পড়ার পর পুনরায় বিতর পড়তে হবে কি?

উত্তর: পুনরায় বিতর পড়তে হবে না। কারণ রাসূলুল্লাহ (ছা:) বলেছেন, এক রাতে দুবিত্র নেই (ছহীহ্ তিরমিযী হা/৪৭০; ছহীহ্ আবুদাঊদ হা/১৪৩৯)। তবে যিনি তাহা্জ্জুদের ছালাত নিয়মিত আদায় করেন তিনি প্রথম রাতে বিত্র আদায় না করে তাহাজ্জুদ শেষে বিত্র আদায় করবেন (মুসলিম, মিশকাত হা/১২৬০)। উল্লেখ্য, পূর্বে আদায় করা বিতরকে আরেক রাকআত আদায়ের মাধ্যমে জোড় বানানো সঠিক নয়।

রবিবার, ৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১১

তাহাজ্জুদ সালাত আলোতে না অন্ধকারে পড়া উত্তম ?


প্রশ্নঃ       তাহাজ্জুদ সালাত আলোতে না অন্ধকারে পড়া উত্তম ?

উত্তরঃ      তাহাজ্জুদ সালাত আলোতে বা অন্ধকারে যে কোন অবস্থায় আদায় করা যায় । তবে কারো যদি অন্ধকারে তাহাজ্জুদের সালাত আদায় করার মধ্যে আল্লাহভীতি বেশী আসে তাহলে তার জন্য অন্ধকারে সালাত আদায় করাই উত্তম । কিন্তু হাদীসে আলো ও অন্ধকারের মধ্যে কোন পার্থক্য করা হয়নি ।