মসজিদ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
মসজিদ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

শনিবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১২

এক ব্যক্তি মসজিদ নির্মাণের জন্য জমি দান করে।

প্রশ্ন  : এক ব্যক্তি মসজিদ নির্মাণের জন্য জমি দান করে। কিন্তু ঘটনাক্রমে তা ইবতেদায়ী মাদরাসার নামে ওয়াকফ হয়ে যায়। এখন উক্ত মসজিদে ছালাত আদায় করা হচ্ছে। এরূপ ওয়াকফ বিহীন মসজিদে ছালাত শুদ্ধ হবে কি? মসজিদটি অন্যত্র স্থানান্তর করা হলে বর্তমান স্থানটি অন্য কাজে ব্যবহার করা যাবে কি?

উত্তর : উক্ত মসজিদে ছালাত আদায় করা যাবে। কারণ দাতা মসজিদের নিয়তেই জমি দান করেছেন। মসজিদটি অন্যত্র স্থানান্তর করা হলে, ঐ স্থানটি ইবতেদায়ী মাদরাসা হিসাবে ব্যবহার করা যাবে। অথবা যেকোন ভাল কাজে ব্যবহার করা যাবে। কূফার মসজিদ অন্যত্র স্থানান্তর করে সেখানে খেজুরের বাজার বসানো হয়েছিল (ফিক্বহুস সুন্নাহ ৩/৩৫১-৩৫২ পৃঃ)। উল্লেখ্য, আপত্তি না থাকলে ওয়াকফ বিহীন মসজিদেও ছালাত শুদ্ধ হবে।

বুধবার, ৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১২

মসজিদ দেখার কোন দো‘আ আছে কি?

প্রশ্ন  : মসজিদ দেখার কোন দোআ আছে কি? আল্লাহুমাগ ফিরলী যুনূবী খাত্বায়ী ওয়া আমাদী নামে দোআটির কোন দলীল আছে কি?

উত্তর : মসজিদ দেখার কোন দো
আ পাওয়া যায় না। তবে উক্ত দোআটি ছহীহ (ত্বাবারাণী, আল-মুজামুল আওসাত্ব হা/৬৬২; আহমাদ হা/১৬৩১৩)

শুক্রবার, ৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১২

অনেক মসজিদে ছালাতে দাঁড়ালে সামনের গ্লাসে


প্রশ্ন  : অনেক মসজিদে ছালাতে দাঁড়ালে সামনের গ্লাসে নিজের ছবি দেখা যায়। এমনকি সিজদায় গেলে টাইলসে মুখও দেখা যায়। এমতাবস্থায় ছালাতের ক্ষতি হবে কি?

উত্তর : মসজিদে এমন গ্লাস বা টাইলস দেওয়া উচিত নয় যাতে মুছল্লীর ছবি দেখা যায়। এমতাবস্থায় সামনে কাপড় টাঙিয়ে ও নীচে কাপড় বিছিয়ে ছালাত আদায় করতে হবে। কারণ যেকোন ছবি বা চিত্র ছালাতের জন্য ক্ষতিকর। যেমন প্রাণীর অংকিত চিত্র, তৈলচিত্র ও কাপড়ের চিত্র কিংবা প্রাণীর ছবি বিশিষ্ট নকশা ইত্যাদি। আয়েশা (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) প্রাণীর ছবিযুক্ত কোন কিছু বাড়ীতে দেখলে তা বিনষ্ট করে দিতেন (বুখারী, মিশকাত হা/৪৪৯১
ছবিসমূহ অনুচ্ছেদ)

শুক্রবার, ২৭ জানুয়ারি, ২০১২

ক্বিয়ামতের দিন মসজিদ ধ্বংস হবে না।


প্রশ্ন  : প্রায় মসজিদের ইমাম বলে থাকেন, ক্বিয়ামতের দিন মসজিদ ধ্বংস হবে না। মসজিদ প্রত্যেক মুছল্লীকে নিয়ে জান্নাতে প্রবেশ করবে। উক্ত বক্তব্য কি সঠিক?

উত্তর : উক্ত বক্তব্যটি সঠিক নয়। কারণ আল্লাহ তা
আলা এরশাদ করেন, ভূ-পৃষ্ঠে যা কিছু আছে সবই ধ্বংসশীল এবং অবশিষ্ট থাকবে শুধু আপনার প্রতিপালকের মুখমন্ডল যিনি মহিমাময়, মহানুভব (রাহমান ২৭)। আল্লাহ তাআলা অন্যত্র বলেন, আল্লাহর মুখমন্ডল ব্যতীত সবকিছু ধ্বংসশীল (ক্বাছাছ ৮৮)। সুতরাং নিঃসন্দেহে মসজিদসহ বিশ্বজগতের সবকিছুই সেদিন ধ্বংস হয়ে যাবে। তবে ক্বিয়ামতের দিন যমীন তাঁর উপরে কৃত ভাল-মন্দ সব বিষয়ে সাক্ষ্য দিবে (যিলযাল ৪)। সে হিসাবে মসজিদের মাটি তার মুছল্লীদের ব্যাপারে সাক্ষী হবে।

রবিবার, ১৫ জানুয়ারি, ২০১২

যে ব্যক্তি মসজিদে দুনিয়াবী কথা বলবে


প্রশ্নঃ : যে ব্যক্তি মসজিদে দুনিয়াবী কথা বলবে তার ৪০ বছরের ইবাদত নষ্ট হয়ে যাবে। উক্ত হাদীছের সত্যতা সম্পর্কে জানিয়ে বাধিত করবেন।

উত্তর : উক্ত মর্মে বর্ণিত হাদীছটি জাল (তাযকিরাতুল মাওযূআত, আবুল ফযল আল-মাক্বদেসী, ৩৯ পৃঃ, হা/৪০)। তবে মসজিদে দুনিয়াবী বাজে কথা বলা যাবে না। কেননা ওমর (রাঃ) মসজিদে উচ্চৈঃস্বরে দুনিয়াবী অযথা আলোচনায় ব্যস্ত দুজন ব্যক্তিকে বললেন তোমরা বাইরের লোক না হয়ে মদীনার লোক হলে আমি তোমাদের শাস্তি দিতাম (বুখারী, মিশকাত হা/৭৪৪, মিরআত ২/৪৫৭ পৃঃ)

বুধবার, ১১ জানুয়ারি, ২০১২

মসজিদের মিম্বর তিন স্তর বিশিষ্ট


প্রশ্ন  : মসজিদের মিম্বর তিন স্তর বিশিষ্ট হওয়ার কোন তাৎপর্য আছে কি? কোন কোন মসজিদে পাঁচ স্তর বিশিষ্টও দেখা যায়। এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানিয়ে বাধিত করবেন।

উত্তর : মিম্বর তিন স্তর বিশিষ্ট হওয়ার বিশেষ কোন তাৎপর্য পাওয়া যায় না। তবে রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) তিন স্তর বিশিষ্ট মিম্বর ব্যবহার করেছেন (ইবনু মাজাহ হা/১৪১৪; আওনুল মাবুদ হা/১০৭৬ -এর ব্যাখ্যা দ্রষ্টব্য)। মু
আবিয়া (আঃ)-এর খেলাফত কালে মদীনার গবর্নর মারওয়ান আরও তিন স্তর বৃদ্ধি করে মোট ছয় স্তরে উন্নীত করেছিলেন (ফাৎহুল বারী ২/৪৬৩; আওনুল মাবুদ, পৃঃ ২৯৭)